নারীদের যৌনাঙ্গ দেখতে পাওয়ার সুযোগ যেহেতু কম তাই এর গঠণ সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। দুই উরুর মাঝখানের এই অঞ্চলটিকে বলা হয় গালভা। এখানে দুই জোড়া ঠোঁটের মতো জিনিস দেখতে পাওয়া যায় যাদের নাম ল্যাবিয়া। যৌবনের সূচনায় বাইরের
ঠোঁট ঘিরে চুলগজানো শুরু হয়। আর ভেতরের ঠোঁট দুটোর আকার এবং রং বা বর্ন একটু তারতম্য দেখা দিতে পারে। এই ঠোঁট জোড়ার ভেতরে থাকে ভগাংকুর এবং দুটি ছিদ্র। ভেতরের ঠোঁটজোড়া সামনের দিকে যেখানে মিলিত হয়েছে সেখানেই ভগাংকুরের প্রকৃত অবস্থান। ভগাংকুর অত্যন্ত সংবেদনশীল আর যৌন আনন্দদায়ক। কতক মহিলা এটাকে স্পর্শ করতে পছন্দ করেন। ভগাংকুরের একেবারে নিকটে থাকে মুত্রথলীর ছিদ্র এ পথ দিয়ে প্রস্রাব বেরিয়ে আসে। এটা অত্যন্ত ছোট ও দেখা কঠিন ব্যাপার। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ছিদ্র হচ্ছে যৌনপথের প্রবেশ দ্বারা এর মাধ্যমে মাসিক স্র্রাবের রক্ত যৌন নিঃসৃত রস বের হয়ে আসে। বীর্যস্থানের সময় যে বীর্য বের হয়ে আসে তার শুক্রকীট সমূহ যৌন দিয়ে সার ভিক্সে যায় জরায়ু তো যৌনির ভেতরে দিকে একটি পাতলা পর্দা বিদ্যমান থাকে যাকে বলা হয় হাইযেন। এছাড়া আরেকটা ছিদ্রপথ হচ্ছে পায়ু যা একেবারে পশ্চাতে অবস্থিত।
0 comments:
Post a Comment